৫০ লাখ টাকা খরচে বন্যার্তদের ঘর বানিয়ে দিবেন ফারাজ চৌধুরী

চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর জ্যেষ্ঠ সন্তান ফারাজ করিম চৌধুরী দেশের বন্যা দূর্গত মানুষদের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয় এই ব্যক্তিত্ব

তার জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে বন্যার্তদের জন্য অনুদান সংগ্রহ করে তাদের পাশে দাড়িয়েছেন। গত কয়েকদিন ধরেই বন্যা কবলিত এলাকাতে অবস্থান করেছেন এই যুবক। সেখানে বানভাসী মানুষদের জন্য শুকনো খাবার থেকে

শুরু করে প্রয়োজনীয় সকল সাহায্য দিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন। শুধু ত্রান দিয়েই নয়, বন্যার্তদের সহযোগিতায় নজির গড়েছেন ফারাজ চৌধুরী। টানা ভারী বৃষ্টিপাত আর উজানের ঢলে ডুবে যাওয়া সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার

অনেক বাড়ি-ঘর বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। বন্যা কবলিত সেই গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের সহযোগিতার জন্য সেখানে ঘর বানিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন ফারাজ চৌধুরী। গত মঙ্গলবার (২১ জুন)

এক ফেসবুক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছিলেন, বন্যার কারণে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর গ্রামের বাড়ি-ঘর সব বি’ধ্ব’স্ত হয়ে গেছে। কিছু বাকি নেই। সুতরাং এক আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে ঘোষণা দিলাম- সেই গ্রামটা

আমি পুরোপুরি আবার নতুন করে বানাবো ইনশাআল্লাহ। তার মানে, গ্রামের ১টা-২টা, ৩টা-১০টা, ৩০-৪০-৫০-৮০ আর ১০০টা না, ২০০, ৩০০, ৪০০ কিংবা ৫০০ টা বাসাও যদি লাগে পুরো গ্রামটা আমরা বানাবো ইনশাআল্লাহ।

কেমনে বানাবো, আল্লাহর ওপর ভরসা আছে। আপনারা আমার সাথে আছেন, মুরুব্বীদের দোয়া আছে, ইনশাআল্লাহ আমি পারবো। আমরা পারবো’। তার সেই ঘোষণার পরে এবার তিনি জানালেন, তাহিরপুরের সেই গ্রামে

ক্ষতিগ্রস্ত বন্যার্তদের ৫০ লাখ টাকা খরচে প্রথম ধাপে ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে। যে সব ঘর মেরামত করা দরকার, সেসব মেরামত করা হবে। আর যেসব নতুন করে বানানো দরকার, তা বানিয়ে দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ত্রাণ কেনা হয়েছে।

কিছু দেওয়া হয়ে গেছে। এখন বাড়ি বানানোর সময়। আমরা সেটা ইনশাআল্লাহ করবো। ফারাজ করিম চৌধুরীর এ বক্তব্য সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। বিভিন্ন ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরে দেশেজুড়ে তিনি অর্জন করেছেন তুমুল জনপ্রিয়তা।